খুশি, খুশি — তুমি যে মুহূর্তে শিখা সহজেই বুঝি ৷
দীর্ঘ অদর্শনে শীতলতা — এই শীত নিয়ে এল খুব ৷
তোমাকে কল্পনা করে কিছু লেখা— সাধ্যাতীত পুঁজি
আমার যে নেই, জানো, বাগিচায় গোলাপের রূপ

শিশিরের মুগ্ধতায় উদ্ভাসিত — কাঁটার প্রণয়…
রৌদ্র জানে, ছায়া জানে — আর সেই শিহরিত হাওয়া
তাপের প্রবাহে আজও উজ্জ্বীবিত — তা ভোলার নয়
শৈত্য-বৈপরিত্য ভুলে, সুরোত্তম—এই চাওয়া-পাওয়া ৷

খুশি, খুশি — আসলে সে-অভিপ্রায়, ব্যথার নিবিড়
দীপের সামনে স্থির — আলোকিত মূক-উচ্চারণ
শিখায় আনত, ওই অন্ধকার, তারাদের ভিড়
ইশারায় ডাকে, ঈশা — স্পর্শাতুর শতভিষা-মন

এখনও হারায় — শৈত্যে, দ্বৈতা-ভাবে, দয়িতা-আঁধারে…
তুমি কি আসবে এই পাতা-ঝরা বৃক্ষটির দ্বারে ?

 

Error: View 8fd5d04aed may not exist

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *