বিশাল এক রাত্রি সেদিন ঝুপ করে আমাদের ঘরে ঝরে পড়লো
আমি তখন, সত্যি কী, ‘স্মৃতির নাম চৈত্রমাস’ এরকম একটা ভাবনায়
উঁকিঝুঁকি মারছিলাম
এগিয়ে আসতে থাকা কয়েকটা সরু গোঁফ তখন ভয় দেখাচ্ছিলো আমাকে
চিরকালীন একটা নির্বাসন, জিভ দিয়ে তৈরী একটা করাত
ছানিভর্তি চোখের ধসে পড়ার মতো
বরফের ওপর অনুতাপময় হাজার বছর ঘুমিয়ে পড়ার মতো
শুধুই ঝরে পড়ছিলো আমার মুখে
আমি হাজারবার নিজেকে ভেঙেছিলাম আর হাজারবার মেরামত
করেছিলাম নিজেকে
মাস্টারমশাই, আমি এখনও কোন ফুলের গন্ধ পাই না, গাছপালা আমি
ঠিকঠাক চিনতে পারি না, পাখিদের এখনও ঠিকমতো লক্ষ
করতে পারি না আমি
বালির ওপর জলবিন্দু দিয়ে আমি তৈরী করতে চেয়েছিলাম একটা ঘর
মাথার ভেতর যখন সাতটা সমুদ্র চলাফেরা করে
আর তিন চার মিটার পাশেই পড়ে থাকে মস্তো এক হাঁ
গোঁফগুলো সরিয়ে সরিয়ে আমার বেতো ঘোড়ার পিঠে ভাসতে ভাসতে
হে আমার রাত্রি আমার রাত
আমি জানতে থাকি মানুষ জানতে থাকি শূন্যতা প্রাণ, আমি ফিরতে থাকি
শুধুই ফিরতে থাকি পৃথিবীতে

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *