মুখের চামড়া টান , লোকে বলে — ‘গম্ভীর মানুষ, একলা ঘরের কোণে থাকে’—
কিসের গাম্ভীর্য? আহা, দুতিনটে কবিতা লিখি বলে?
তুমি জানো, আমি শালা ভিখারির চেয়েও ভিখারি
সিঁড়ির তলায় জুতো ছেড়ে
তোমার নিরালা ঘরে উঠে যাই, নেমে আসি — মাঝখানে তুমি
চায়ের বাজার নিয়ে কথা বলো, কথা বলো এ-বছর কোথায় বা বেশী বৃষ্টিপাত
কোনো কোনো দিন হেসে চোখটা ওপরে তুলে, ‘আরে তুমি? এসো এসো
সেই কবে এসেছো সাতাশে’—
আমি দেখি চেয়ে , বোর্নভিটা তোমাকে যত পুষ্টতা দিয়েছে
মুখরা করেছে তারও বেশী —
সকাল নটায় তবু টেলিফোন দেখলেই বুকের ভেতরে হাঁস ছটফট করে
কচি ছাগলের মত রোদ নাচে ছাদের কার্নিশে —
সব কি মাটিতে যাবে?
একবার এই জন্ম – ছুটে যাই, তুমি জানো ছুটবোই আমি
যেখানে তোমার ছায়া বসবোই হাঁটু ভাঁজ করে
আমি ইঁট, আমি কাঠ – চুন বালি অথবা খড়কে কাঠি আমি
তুমি জানো, আমি শালা ভিখারির চেয়েও ভিখারি
বোকার মতন আজও হেসে
তোমার নিরালা ঘরে উঠে যাই, নেমে আসি, লোকে বলে – ‘গম্ভীর মানুষ
একলা ঘরের কোণে থাকে’

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *