পোশাকের সন্তান ডিনার করবে না, ডিমচাঁদ করতলে নিয়ে তানানা সাধবে। তুমি বসো জাগলার, মুলতান হোক। আজ রোদ আস্তরণ পরেছে যাদের মুখমণ্ডল―সে বা তারা শাস্ত্রীয় করুক আর আকাশ থেকে নাদধারা হয়ে আসুক অমৃত-ওঁঙ্কার।

ইদানীং তোমাকে বারবিকিউ লাগে, সারা দিন হিমছানা বিক্রি শেষে আমার জন্য বিপুল ঘামত্বক নিয়ে সাঁতরে ফিরেছ জীবনে। ঠাণ্ডা আওয়াজের তোয়ালে এগিয়ে দিল বহুজন ঘরোয়া। প্রশান্তির ঘরে কে যেন লিখছে আমাদের গড়জীবনী। ফলে, মাত্র এখনি প্রবল পুরুষ হলো উত্তাল খাট! আসলে ব্যক্তিগত প্রাণগণ কতগুলো প বর্ণ ধরে বাঁচে, জানি না!

শোনা গেল, শোভাবাক্স খোলা। আগে-পরে কার্টুন দেখে এখন দুহাতে লাল বর্ণ নীল বল রেখে তোমাকে হার্মোনিয়ামে ডাকল রাবীন্দ্রিক। সাড়া না দেওয়ায় রিখটার স্কেলে নির্দেশ এল, হোক দেহকম্প। গ্লাসভর্তি লা লা; ঝলক যেন। এখন কী দেখবে, কী করবে বোঝা দায়।

বরং, রাত হয়েছে তড়াগ। রানি, যখন তোমার উপচে ঝরার বয়স―এই ভ্যাড়ার শহরে পিতা কখনো রাজহাঁসের সঙ্গ নেননি, পোশাকেরও নয়। কথকতার ফাঁকে তোমাদের জানানো ভালো, পোশাকবর্ণের ক্ষুধা জগতের কাউকে পাত্তা নাও দিতে পারে। কারণ একটাই, আমরা সকলে পোশাকবংশের গর্বিত সন্তান।

 

Error: View fb876cfshl may not exist

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *