কসাই নামটি বেশ শক্ত, অনেকটা গালি গালি। নিষ্ঠুরতার এই প্রতিশব্দটি অভিধানেও যেমন রয়েছে- তেমনি সমাজ-সংসারে গণমুখে প্রচলিত। অভিধানে আর রাজনীতিতে শব্দ-কন্ট্রোভার্সি স্বাভাবিক, প্রশ্ন তুলে লাভ নেই। ‘হয় মানো নয় ভাগো’ ধরণের।
কশাইয়ের কাজ নিত্যদিনের প্রোটিনের উৎস, নিগ্রহের নয় কস্মিন, ফলে অভিধানের মুখে ছাই দিয়ে, প্রাত্যহিক চামড়া খুলে নেয়া চলতে থাকে। দোকানে যান, দেখবেন, সে যার-পরনাই ভদ্রলোক, বিনয়ী। হাসিমুখ, সালাম-আদাব দেয়। সভ্যতায় ব্রোথেলের ভূমিকা যাজকের মতন। পক্ষান্তরে, লুপ্তগুহার খোঁজে রহস্যই প্রধান, ধরে খননকাজ চলে। চিকিৎসক কি অনুসন্ধানপ্রিয়? না-কি মনিহারি দোকানের মতো লিপিবদ্ধ করে রাখে পণ্যকৌশল? ব্রাত্যজন কখনও জানে না… তথাপিও নিরাময়খানায় ভির উপচে পড়ে, দর্শনি বৃদ্ধি পায় উসাইন বোল্টের পদক্ষেপে।
শামুকের মতো রোগের বিহার… আর দুর্বলেরা রোগবিলাসী। রোগির অযাচিত মৃত্যু চিকিৎসায় পশার, কিম্বা নিরাময়। কিন্তু চিকিৎসক, প্রায়শই প্রাচীন গল্পবলা ঠাকুমার মতো… অন্যান্য রোগের ন্যায়, ক্যান্সারও একটি রোগমাত্র; পেশাদার পৃথিবীতে, ‘সেবাধর্ম’ একটি আভিধানিক বিভ্রান্তির নাম।

 

Error: View fb876cfshl may not exist

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *