আমাদের নিঃশ্বাস জড়োসড়ো নয়। বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারি। ইচ্ছে হলে বসতে পারি। শুতেও পারি মাটির বিছানায়। স্বজনের প্রতি অসংকোচেই বাড়িয়ে দিতে পারি ধুলোমাখা হাত। আমাদের কেউ কেউ উদাসীন। কেউ পরোপকারী ভীষণ। ছোট-বড় সকলেই আমরা একান্নবর্তী পরিবার। আমরা নির্ভয়ে তাকাই আকাশের মেঘে। সৌরপাহারায়। অনাহুত বৃষ্টি-ঝড়ে আমাদের আবাস ভাঙে। শত হাতের নিরাপদ আশ্রয় আমাদের বিশ্বাস। আমাদের মাথা ছুঁয়ে যায় বাতাসের ছাদে। আকাশে। শেকড় বিস্তৃত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। মাটির স্তর ফেঁড়ে জলের নহরে। স্বাধীনতা আমাদের বর্তমান-ভবিষ্যৎ। উদারতা আমাদের উত্তরাধিকার…

আমরা পরিপাটি। ছিমছাম। ইট-কাঠ-বালি-পাথরের কোরিডোর আমাদের বিস্তারভুবন। বহুতল ছাদে বসেই আমরা নিঃশ্বাস মিলাই বৃষ্টিহীনা মেঘের দীর্ঘশ্বাসে। আমরাও আকাশের নীল হতে চাই, দিগন্তে ছড়াতে চাই ভালোবাসার চুম্বন। বাতাসের ভেলায় তোমাদের ছড়ানো চুলের বেণী হতে চাই। পারি না। পারি না বলেই মানুষের হাত আমাদের খাবার জোগায়, পানীয় জোগায়। সকালে। বিকালে। গরম-শীতে পরিশ্রান্ত হলে এসি ছেড়ে দেন মনিব। আমরা মনিবের হাসি পুষি। দুঃখ পুষি। দম্ভে দম্ভে মালা সাজি। আমরা পুষি মানুষের পরাগায়ন। স্নানঘরে। বিছানায়…

নিকটের হতে চায় দুটো গাছবাড়ি। মাঝখানে বিচারালয়। কানুনের বিরাট প্রাসাদ… গাছদুটি মৈত্রির বিরহ পোষে…

 

Error: View fb876cfshl may not exist

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *